ব্রহ্মবিহার : আত্ম-উন্নতির পথ
Keywords:
ব্রহ্মবিহার, আত্ম-উন্নতির পথAbstract
সমগ্র পৃথিবীর মানুষের, জর্জরিত দুঃখের শ্রীমূর্তি তথাগত। আপনি সকল প্রকার মূল্যবোধ সমন্বিত জীবনমুর্তি, পরম শান্তি। সমগ্র বিশ্বের দুঃখভার আপনার হৃদয়ে অধিষ্ঠিত। রাজসন্তান থেকে সর্ব ত্যাগী ভিক্ষু। নেপালের কপিলাবস্তু ( লুম্বিনী উদ্যান ) থেকে অধুনা বুদ্ধগয়ায় নিরঞ্জনা নদীর তীরে অশ্বথ বৃক্ষ এবং সর্বশেষে কুশীনগর ( হীরণ্যবতী নদীর অপর পার -- মল্লদের রাজধানী )।সুদীর্ঘ সময়ব্যাপী তাঁর পদচিহ্ন অঙ্কিত হয়ে রয়েছে। মানব সভ্যতার সম্পদ তিনি, যাকে কেন্দ্র করে একটি যুগ আবর্তিত হয়েছে। বুদ্ধদেবের শিক্ষা, মূল্যবোধ আজও সমাজকে অন্ধকার থেকে উত্তোলন করবার জন্য সঠিক পথপ্রদর্শক। গৌতম বুদ্ধের নির্বাণ প্রাপ্তির পরও কর্মবিমুখতার আশ্রয় নয়, মানবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালনা করবার প্রয়াস এবং আত্মপোলব্ধির পর সংসারে প্রত্যাগমণ। সংসারের বন্ধনদশা, দুঃখ থেকে উদ্ধার করবার জন্য নির্বানের সদর্থক ভূমিকা, অষ্ট ঙ্গিক মার্গের অবতারণা, ব্রহ্মবিহারের অবতারণা। বুদ্ধদেব সেই বোধিপ্রাপ্ত দিব্য শিক্ষক, যিনি বুদ্ধত্ব অর্জন করেছিলেন - নিজের অন্তরদৃষ্টির কথা সকলকে জানিয়ে চেতন সত্তার পুনর্জন্ম ও দুঃখের সমাপ্তি ঘটাতে সাহায্য করেছেন। বৌদ্ধধর্মের সরকথাটি হল - 'বহুজনহিতায়, বহুজনসুখায় '। বুদ্ধ প্রচারিত ধর্মের বিষয় মানুষ - সুস্থ কোমল সুখে বসবাসযোগ্য একটি পৃথিবী নির্মাণ।
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2023 Siddhanta's International Journal of Advanced Research in Arts & Humanities

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.