ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের চব্বিশ পরগনা জেলার (১৯০৫-৩৪) বৈপ্লবিক আন্দোলন – একটি সমীক্ষা
Keywords:
চব্বিশপরগনা জেলা, জাতীয়তাবাদ, বৈপ্লবিক আন্দোলন, সংগঠন, সভা, সমিতি, স্বাধীনতা সংগ্রাম।Abstract
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমস্ত স্থান, অঞ্চল, জেলা ও রাজ্য বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল, তার মধ্যে চব্বিশ পরগনা জেলার (১৯০৫-৩৪) বৈপ্লবিক আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ। বজবজ দুর্গ (১৭৫৬, ২৯শে ডিসেম্বর) দখলের মধ্যে দিয়ে ইংরেজ ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানী কলকাতার মাটিতে প্রথম পা রাখে। এরপর মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পলাশীর যুদ্ধের পর লর্ড ক্লাইভ চব্বিশ পরগনা জেলার জমিদারী স্বত্ত্ব লাভ করে (১৭৫৭, ১৫ই জুন)। চব্বিশ পরগনায় প্রথম জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটে ১৮৬১ সালে ‘জাতীয় গৌরব সম্পাদনা সভা’ প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে। বারুইপুর রাসমাঠে অনুষ্ঠিত স্বদেশ চৈত্র মেলার কার্যক্রম চব্বিশ পরগনা অঞ্চলে স্বদেশ প্রেমের চেতনা সঞ্চারিত করেছিল। লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ প্রস্তাব কার্যকর, বাংলায় বৈপ্লবিক আন্দোলনকে সক্রিয় করে। নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য কর্তৃক চাংড়িপোতা গ্রুপ গঠন, অনুশীলন সমিতিতে যোগদান, যুগান্তর বিপ্লবী দল গঠন ও তার কার্যকলাপ অলোচিত হবে। ‘সাধন সংঘ’, ব্যায়াম সমিতি’, ‘শান্তি সংঘ’, বুড়ুল প্রজাহিতৈষীনি সমিতি’ গড়ে ওঠে চব্বিশ পরগনা জেলায়। এই সকল সমিতির দুটি বিভাগ ছিল ‘প্রকাশ্য’ ও ‘গোপন’। বিপ্লবীরা অর্থসংগ্রহের জন্য স্বদেশী ডাকাতি করত যার মধ্যে ‘ন্যাতরা স্টেশন’ ও ‘চাংড়িপোতা রেলস্টেশন’ ডাকাতি হল অন্যতম। এই প্রবন্ধে চব্বিশ পরগনার বিপ্লবী কেন্দ্রগুলি যেমন- বিপ্লবতীর্থ জয়নগর মজিলপুর, বিপ্লবী নিকেতন বুড়ুল, ডায়মন্ড হারবার, চাংড়িপোতা, কোদালিয়া, বারুইপুর, হরিনাভি, রাজপুর, বজবজ, দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, বরানগর প্রভৃতি স্থান নিয়ে আলোচনা হবে। সর্বপরি বিপ্লবী আন্দোলন প্রসারে আধুনিক রাস্তা ও রেলপথের ভূমিকার পাশাপাশি নারী বিপ্লবীদের নিয়ে আলোচনা হবে।
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 Siddhanta's International Journal of Advanced Research in Arts & Humanities

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.